মূল বিষয়বস্তুতে যান

ERQIVA নির্দেশিকা

ধীর VPN: সম্ভাব্য কারণ ও সমাধান

ধীর সংযোগের কারণ সব সময় VPN নয়। নেটওয়ার্ক, সার্ভার ও অ্যাপ সঠিক ক্রমে তুলনা করে ব্যবহার সীমিত করার কারণ খুঁজুন।

কম্পিউটার, রাউটার ও বালুঘড়ি VPN সংযোগের ধীরগতির বিভিন্ন কারণ বোঝায়।

ভিডিও থামে, পেজ দেরিতে খোলে বা কল কেটে যায়: এসবের একাধিক কারণ থাকতে পারে। সঠিক পদ্ধতি হলো তুলনা করা, তারপর একবারে একটি সেটিং বদলানো। এতে আসলে কী সাহায্য করেছে না জেনে সব কনফিগারেশন বদলে ফেলা এড়াতে পারবেন।

গতি, বিলম্ব নাকি অস্থিরতা?

“ধীর” কথাটি তিনটি ভিন্ন পরিস্থিতি বোঝায়। কোনটি বিরক্ত করছে জানলে সমস্যা সমাধান কার্যকর হয়।

যা দেখছেন যা লক্ষ্য করতে হবে
ডাউনলোড অনেক সময় নেয় উপলব্ধ গতি, অর্থাৎ প্রতি সেকেন্ডে স্থানান্তরিত ডেটার পরিমাণ
কোনো কাজের উত্তর পেতে দেরি হয় বিলম্ব, যাকে প্রায়ই পিং বলা হয়, মিলিসেকেন্ডে মাপা
কল বা ভিডিও মাঝে মাঝে থামে নেটওয়ার্ক স্থিতিশীলতা, বিলম্বের ওঠানামা ও প্যাকেট হারানো

তাই ভালো গতি মানেই মসৃণ কল নয়। আবার সাধারণ ব্যবহার স্বচ্ছন্দ থাকলে পরীক্ষায় মাপা গতি কমাও সমস্যা নাও হতে পারে।

কার্যকর তুলনা করুন

একই পরিবেশে VPN ছাড়া, VPN দিয়ে এবং অন্য সার্ভার দিয়ে সংযোগ তুলনা।

  1. একই ডিভাইস ও নেটওয়ার্ক বেছে নিন। বড় ডাউনলোড ও অপ্রয়োজনীয় সিঙ্ক সাময়িক বন্ধ করুন।
  2. একই টুল ও সম্ভব হলে একই পরীক্ষার সার্ভারে আগে VPN ছাড়া, তারপর VPN দিয়ে পরীক্ষা করুন।
  3. গতি ও বিলম্ব লিখুন, পাশাপাশি সমস্যাযুক্ত অ্যাপের আচরণও দেখুন।
  4. ফল অনেক ওঠানামা করলে একবার পুনরাবৃত্তি করুন, অপ্রয়োজনীয় পরীক্ষা বাড়াবেন না।

VPN ছাড়া পরীক্ষার সময় টানেল ট্র্যাফিক রক্ষা করে না। বিশ্বস্ত নেটওয়ার্কে তুলনা করে পরে আবার যুক্ত হন। গতি পরীক্ষা প্রচুর ডেটা নিতে পারে: সীমিত মোবাইল প্যাকেজে সতর্ক থাকুন।

ছবিটি তুলনার পদ্ধতি দেখায়, প্রত্যাশিত ফল বা গতি বাড়ার প্রতিশ্রুতি নয়।

VPN ছাড়াই ইন্টারনেট ধীর হলে

স্থানীয় নেটওয়ার্ক দিয়ে শুরু করুন। Wi-Fi অ্যাক্সেস পয়েন্টের কাছে যান, ডিভাইস সমর্থন করলে Ethernet চেষ্টা করুন বা অন্য বিশ্বস্ত নেটওয়ার্ক দেখুন।

অনেক অতিথির ভাগ করা হোটেল Wi-Fi, দুর্বল মোবাইল সিগন্যাল বা একসঙ্গে অনেক ডিভাইসের ডাউনলোড কর্মক্ষমতা কমাতে পারে। VPN বাড়তি ব্যান্ডউইডথ তৈরি করতে পারে না।

সম্ভব হলে অন্য ব্যবহারকারীদের জানিয়ে নিজের রাউটার পুনরায় চালু করুন। অফিস বা প্রতিষ্ঠানের নেটওয়ার্কের কনফিগারেশন বদলানোর বদলে পরিচালকের সাহায্য চান।

VPN ব্যবহারেই ধীর হলে

কাছের সার্ভার চেষ্টা করুন

VPN সার্ভার ঘুরে যাওয়া বাড়তি পথ যোগ করে। ভৌগোলিকভাবে কাছের সার্ভার প্রায়ই ভালো শুরু, যদিও দূরত্বই সব নয়। ট্র্যাফিকের পথ ও সার্ভারের চাপও গুরুত্বপূর্ণ।

Erqiva অ্যাপে অন্য উপলব্ধ সার্ভার নিয়ে একই পরীক্ষা করুন। একসঙ্গে নেটওয়ার্ক ও সার্ভার বদলাবেন না, নইলে কোন পরিবর্তনে ফল বদলাল বুঝবেন না।

অ্যাপের বিকল্প দেখুন

আপনার প্রবেশাধিকারে একাধিক প্রোটোকল দেওয়া ও সমর্থিত হলে অন্য নথিভুক্ত বিকল্প পরীক্ষা করুন। প্রোটোকল হলো VPN টানেল তৈরির পদ্ধতি; নেটওয়ার্ক অনুযায়ী কর্মক্ষমতা বদলাতে পারে।

অন্য প্রদানকারীর এলোমেলো সেটিং কপি করবেন না। VPN ইনস্টল গাইড আপনার জন্য নির্ধারিত ধাপে ফিরে যেতে সাহায্য করে।

আপডেট ও পুনরায় চালু

অ্যাপের আনুষ্ঠানিক আপডেট ইনস্টল করে পুনরায় চালু করুন। ডিভাইস রিস্টার্টও সাময়িক সমস্যা মেটাতে পারে। অন্য ব্যক্তিগত VPN একসঙ্গে চলছে কি না দেখুন; কাজের ডিভাইসে প্রতিষ্ঠানের নির্দেশ মানুন।

অ্যান্টিভাইরাস ও ফায়ারওয়াল চালু রাখুন। সামান্য গতির জন্য দীর্ঘমেয়াদে বন্ধ রাখা উপযুক্ত সমাধান নয়।

শুধু একটি সাইট বা সেবা ধীর হলে

অন্য পেজ বা অ্যাপ পরীক্ষা করুন। বাকি সব স্বাভাবিক হলে দূরের সেবা ব্যস্ত বা কিছু সংযোগ সীমিত করতে পারে। স্থানীয় সমস্যা মানেই পুরো VPN খারাপ নয়।

পরিবর্তনের পরে VPN-এর অবস্থা ও দৃশ্যমান IP দেখুন। সমস্যা থাকলে Erqiva সহায়তায় ডিভাইস, অ্যাপ সংস্করণ, নেটওয়ার্কের ধরন, সার্ভার ও তুলনামূলক ফল জানান। কোনো পাসওয়ার্ড পাঠাবেন না।

বিস্তারিত: Cloudflare-এর সাহায্যে বিলম্ব বোঝা।

মেনুতে ফিরুন